শেরপুরে ব্যবসায়ীকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা, গাড়ি ও ধান লুটের অভিযোগ – Shottoboyan24

শেরপুরে ব্যবসায়ীকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা, গাড়ি ও ধান লুটের অভিযোগ

৮ জুন ২০২৬, ৫:৪৬

স্টাফ রিপোর্টার : শেরপুর সদর উপজেলার জঙ্গলদী দক্ষিণপাড়া এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে মোঃ জসিম মিয়া (২৮) নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা, মারপিট এবং তার মাহিন্দ্র গাড়ি ও ১৭ মণ ধান লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ৮ মে শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে সদর উপজেলার জঙ্গলদী দক্ষিণপাড়া এলাকায় মহসিন আলী রাজার বসতবাড়ির সামনে এই ঘটনা ঘটে।

​আহত ব্যবসায়ী মোঃ জসিম মিয়া সদর উপজেলার জঙ্গলদী দক্ষিণপাড়ার মোঃ ইদু শেখের ছেলে। এ ঘটনায় ন্যায়বিচার চেয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন তিনি।

​মামলার বিবরণ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মে রাতে শেরপুর সদর থানাধীন খরখরিয়া বাজার থেকে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ১৭ মণ ধান কিনে মাহিন্দ্র গাড়িযোগে নিজের বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন জসিম মিয়া। পথিমধ্যে জঙ্গলদী দক্ষিণপাড়া এলাকায় পৌঁছালে চর জঙ্গলদী এলাকার মৃত ইয়ানুছ আলী মাস্টারের ছেলে মোঃ মহসিন আলী রাজা (৫০), তার ছেলে মোঃ রফিকুল ইসলাম সিয়াম (২২), মৃত নজিম উদ্দিনের ছেলে মোঃ নজরুল ইসলাম (৩৫), মৃত ওসমান আলীর ছেলে মোঃ উজির মিয়া (৬০)সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র রামদা, লোহার শাবল, কুড়াল ও লাঠিসোঠা নিয়ে তার পথ রোধ করে।

​ভুক্তভোগী জসিম মিয়া বলেন, “মহসিন আলী রাজার মেয়ের সাথে আমার বিবাহবিচ্ছেদের পর থেকেই তিনি আমার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। এর জের ধরে তার মেয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। আমি সেই মামলায় জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই মহসিন আলী রাজা আমার সঙ্গে শত্রুতা পোষণ করে আসছেন।”

ব্যবসায়ী ​জসিম মিয়া আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার রাতে আসামী রাজা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো রামদা দিয়ে মাথায় কোপ মারলে তিনি দ্রুত সরে গিয়ে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান। একপর্যায়ে আসামীরা তাকে মাটিতে ফেলে শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করে এবং লাঠিসোঠা দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে তার মাহিন্দ্র গাড়ি ও ১৭ মণ ধান জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যায় আসামীরা। লুট হওয়া মালামালের মোট মূল্য ১৮ লক্ষ ১৭ হাজার টাকা বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।

Bachelor's, Master's & PGD Programs
Enjoy up to 36 categories scholarship & a complimentary LAPTOP
Apply Now

​পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহায়তায় জসিম মিয়াকে উদ্ধার করে শেরপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। সুস্থ হয়ে বর্তমানে তিনি আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

​ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী জানান, আসামীদের সঙ্গে পারিবারিক শত্রুতার জেরে এর আগেও তাকে বিভিন্নভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের কাছে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।